Wednesday, August 26, 2020

কোচিং না করেও বিসিএস এ ভালো করার সহজ কৌশল : সুশান্ত পাল

(Those who think, can not do anything, do not start preparing for BCS exams, do not worry about it, and coaching is thinking about everyone, for them)

There is no habit of reading my paperstepper. Before starting the preparation for the BCS exam, I could not read any part of the paper except the entertainment page and the literature page. Paper placed at home 2

(যাঁরা ভাবেন, কিছুই পারেন না, বিসিএস পরীক্ষার প্রস্তুতি নেয়া শুরু করবেন কী করবেন না, এটা নিয়ে দ্বিধায় আছেন এবং কোচিংকেই সবকিছু ভেবেটেবে বসে আছেন, তাঁদের জন্য)

আমার পেপারটেপার পড়ার অভ্যেস নেই। বিসিএস পরীক্ষার প্রস্তুতি নেয়া শুরু করার আগে বিনোদন পাতা আর সাহিত্য পাতা ছাড়া পেপারের আর কোনো অংশ তেমন একটা পড়তাম না। বাসায় পেপার রাখত ২টা। এর একটাও আমি পড়তাম না। বিসিএস’য়ের প্রস্তুতির জন্য নিতান্ত বাধ্য হয়ে অনলাইনে প্রতিদিন ৫-৬টা পেপার পড়তে শুরু করি এবং চাকরিটা পেয়ে যাওয়ার পর আবারও পেপারপড়া ছেড়ে দিই।

দেশের এবং বিশ্বের কোথায় কী হচ্ছে, রাজনীতির হাওয়া কোনদিকে, ব্যবসাবাণিজ্যের গতিপ্রকৃতি, এসব ব্যাপার নিয়ে আমার কোনকালেই কোন মাথাব্যথা ছিল না, আমি এর কিছুই জানতাম না, বুঝতাম না, এবং এ নিয়ে আমার কোন দুঃখবোধও ছিল না। আমার নীতি হল, আমার যা দরকার নেই কিংবা ভাল লাগে না, তা নিয়ে আমি মাথা ঘামাই না। সবকিছু জানতেই হবে কেন? পৃথিবীর সবকিছু জেনেটেনে ‘সুখে আছে যারা, সুখে থাক তারা।’

বিসিএস পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নেয়া শুরু করলাম। দেখলাম, প্রিলি আর রিটেনের জন্য হাতে সময় আছে মাত্র ৪-৫ মাস। (সময় পেয়েছিলাম এরও কম।) প্রস্তুতি শুরু করার পর আমার প্রথম অনুভূতিঃ সবাই সবকিছু পারে, আমি কিছুই পারি না। অনেকেই দেখলাম বিসিএস নিয়ে অনার্স-মাস্টার্স-পিএইচডি শেষ করে এখন পোস্টডক্টরেটে আছে। কোচিংয়ে আন্তর্জাতিক বিষয়াবলীর ক্লাসে এক স্যার আমাকে দাঁড় করিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নাম কী?

(পরে জেনেছি, কথাটা হবে, বিদেশমন্ত্রী) যে ছেলে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর নাম জানে বলে খুশিতে বাকবাকুম করতে করতে একধরণের আত্মশ্লাঘাবোধ করে, তার পক্ষে এটা জানার কথা না এবং এ না-জানা নিয়ে তার মধ্যে কোন অপরাধবোধ কাজ করার প্রশ্নই আসে না! পারলাম না। আশেপাশে তাকিয়ে দেখি হাহাহিহি শুরু হয়ে গেছে। তখন বুঝলাম, ‘এটা একটা সহজ প্রশ্ন ছিল।’ স্যার বললেন, “দেখি, এটা কেউ বলতে পারবেন?” সবাই হাত তুলল, উত্তরও দিল। সবাই-ই পারে! বুঝলাম, এই মুহূর্তে আমার চেহারাটা একটু লজ্জা-পাওয়া লজ্জা-পাওয়া টাইপ করে ফেলা উচিত।

আমার বেহায়া চেহারাটাকে লাজুক লাজুকটাইপ করার চেষ্টা করছি, এমনসময় স্যার বললেন, “আপনার সম্পর্কে তো অনেক প্রশংসা শুনেছি। আপনি নাকি কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার, ভাল স্টুডেন্ট। এটা পারেন না কেন? আপনার এজ কত?” ভাবলাম, কাহিনী কী? উনি কি আমার ঘটকালি করবেন নাকি? কিন্তু আমার মত বেকার ছেলেকে কে মেয়ে দেবে?

(আমি আসলে বেকার ছিলাম না, নিজের কোচিং সেন্টার ছিল অন্যান্য ব্যবসাও ছিল; প্রচুর টাকাপয়সা ইনকাম করতাম। কিন্তু আমাদের দেশে শিক্ষিত ছেলেরা চাকরি না করলে সবাই ভাবে, বেকার।) এসব ভাবতে ভাবতে আমার এজটা বললাম। রিপ্লাই শুনলাম, “ও আচ্ছা! আপনার তো এখনো এজ আছে। অন্তত ৩-৪ বার বিসিএস দিতে পারবেন।

চেষ্টা করে যান। প্রথমবারে হওয়ার কোন সম্ভাবনাই নাই, ২-৩ বার চেষ্টা করলে হলেও হতে পারে। আপনার বেসিক দুর্বল।” স্যারকে কিছুই বললাম না। কিন্তু মেজাজ খুব খারাপ হল। উনার প্রতি সমস্ত আস্থা আর সম্মানবোধ চলে গিয়েছিল। উনাকে আমার মনে হয়েছিল একজন দায়িত্বজ্ঞানহীন মানুষ। যে মানুষ আমাকে না চিনেই প্রথম দেখায় এমন কনফিডেন্টলি ফাউল একটা অ্যাসেসমেন্ট করতে পারে, তার ক্লাস করার তো প্রশ্নই আসে না, সে উনি যত ভাল ক্লাসই নিন না কেন!

আমি কিছু পারি না, এটা তো আমি জানিই! এজন্যই তো কোচিংয়ে আসা। পারলে কি আসতাম নাকি? আমি একটা গাধা, এটা শোনার জন্য এত কষ্ট করে, সময় নষ্ট করে, গাড়ি ভাড়া দিয়ে বাসা থেকে কোচিংয়ে এসেছি নাকি? এটা শুনতে তো আর এতদূর আসতে হয় না। বাসায় বসে থাকলে মা দিনে অন্তত ১০বার একথা বলে! তখনই ঠিক করে ফেললাম, ব্যাটার ক্লাস আর কোনদিনও করব না। করিওনি।

পরে জানলাম, উনি অংক-ইংরেজি-বাংলা-বিজ্ঞানে অতিদুর্বল সাধারণ জ্ঞানে মহাপণ্ডিত ৫বার বিসিএস’য়ে ব্যর্থ একজন বিশিষ্ট বিসিএস বিশেষজ্ঞ। শুধু নিজেরটা ছাড়া পৃথিবীর সকল মানুষের ব্যর্থতার কারণগুলি তিনি খুঁজে দিতে পারেন। উনি জানতেন, সুশান্ত সাধারণ জ্ঞানের কিছুই পারে না। কিন্তু উনি এটা জানতেন না, সুশান্ত বাংলা-ইংরেজি-অংক-বিজ্ঞান ওসব বিষয়ে অনার্স মাস্টার্স করা যেকোনো স্টুডেন্টের চাইতে ভাল না পারলেও কোন অংশেই কম পারে না।

উনি এটাও জানতেন না, শুধু সাধারণ জ্ঞানে তোতাপাখি হয়ে বিভিন্ন খাঁচায় বসে বসে মনভোলানো নানাঢঙে ডাক দেয়া যায়, কিছু হাততালিও জুটে যায়, কিন্তু বিসিএস ক্যাডার হওয়া যায় না। ক্লিনটনের ওয়াইফের বান্ধবীর পোষা কুকুরের নামও আপনার মুখস্থ, কিন্তু আমার নানার একটা কালো কুকুর ছিল’কে ইংলিশে লিখেন, My grandfather was a black dog……… কোনো কাজ হবে না। সত্যি বলছি, কোনো কাজই হবে না।

কোচিংয়ে আন্তর্জাতিক বিষয়াবলীর প্রথম মডেল টেস্টে পেলাম ১০০’র মধ্যে ১৭! বলাই বাহুল্য, আমার মার্কসটাই ছিল সর্বনিম্ন। সেকেন্ড লোয়েস্ট মার্কসটা ছিল ৩৮; আমার প্রাপ্ত

বলাই বাহুল্য, আমার মার্কসটাই ছিল সর্বনিম্ন। সেকেন্ড লোয়েস্ট মার্কসটা ছিল ৩৮; আমার প্রাপ্ত মার্কসের দ্বিগুণের চেয়েও ৪ বেশি! বুঝুন আমার অবস্থাটা! বাকিরা আমার অনেকআগে শুরু করেছে, আমি তো বিসিএস কথা জীবনেও শুনি নাই, আমি তো মাত্র শুরু করলাম—-নিজেকে খুশি করার জন্য এসব কথা ভাবতেই পারতাম। কিন্তু আমি তা করিনি।

ভাবলাম, ঠিক আছে, আমি না হয় কিছু পারি না, সেটা তো আর আমার দোষ না। কিন্তু আমি যদি সে দুর্বলতাকে জয় করার জন্য কিছু না করি, হাতপা গুটিয়ে বসে থাকি, সেটা তো নিশ্চয়ই আমার দোষ! প্রচণ্ড পরিশ্রম করে পড়াশোনা করতে শুরু করলাম একেবারে জিরো থেকে। কে কী পারে সেটা ভেবে মন খারাপ না করে দুটো ব্যাপার মাথায় রেখে কাজ করতে লাগলাম। এক। সবাই যা পারে, সেটা পারাটা আদৌ কতটুকু দরকার। অন্ধের মত না পড়ে একটু বুঝেশুনে পড়তে শুরু করলাম।

সবাই যা যা পড়ে, আমাকেও তা-ই তা-ই পড়তে হবে, এটা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেললাম। দুই। সাধারণ জ্ঞানে ভাল কারোর সাথে নিজেকে তুলনা না করে নিজের সাথেই নিজেকে তুলনা করা শুরু করলাম। গতকালকের সুশান্তের চাইতে আজকের সুশান্ত কতটা বেশি কিংবা কম পারে, শুধু সেটা নিয়েই ভাবতাম। আমার কম্পিটিশন হতো আমার নিজের সাথেই।

অন্যকাউকে না, ‘আজকের আমি’ ‘আগেরদিনের আমি’কে ছাড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতাম। কাজটা প্রতিদিনই করতাম। যারা ভাল পারে, তারা তো আর রাতারাতি এত ভাল পারে না। অনেক পরিশ্রম আর সাধনার পর এ দক্ষতা অর্জন করা যায়। যে স্টুডেন্টা অংকে ২০ পায়, সে যদি কখনো অংকে ২৪ পেয়ে যায়, তবে সে কিন্তু সাকসেসফুল।

জানি, ৩৩ পেলে পাস, সে ফেল করেছে; তবুও আমি বলব, সে কিন্তু সফল। সে তো নিজেকে ছাড়িয়ে যেতে পেরেছে। এভাবে করে একদিন সে ১০০’তে ১০০-ই পাবে! এরজন্য ওকে বুঝেশুনে প্রচুর প্রচুর পরিশ্রম করতে হবে এবং এটাকে অভ্যাসে পরিণত করতে হবে। মজার ব্যাপার হল, জেতাটা একটা অভ্যাস। যে একটা চাকরি পেয়ে যায়, সে চাকরি পেতেই থাকে।

এই ফাঁকে জানিয়ে রাখি, হারাটাও কিন্তু একটা অভ্যাস। ভাল কথা, যারা কোচিং করছেন, কোচিংয়ে মার্কস কমটম পেলে মন খারাপ করবেন না। অনেকেই মেয়েদের কাছে হিরো হওয়ার জন্য আগে থেকে প্রশ্ন যোগাড় করে ‘পরীক্ষা’ দেয়। কোচিংয়ের প্রশ্ন যোগাড় করা তো কোন ব্যাপার না। এইরকম অনেক বান্দাকে আমি সেইরকমভাবে ধরা খেতে দেখেছি।

যে ছেলে কোনদিনও ঠিকভাবে বিসিএস’য়ের নামও শোনেনি, যে ছেলে জীবনেও কোন চাকরির পরীক্ষাই দেয়নি, সে ছেলে যদি বিসিএস পরীক্ষায় প্রথমবারেই ফার্স্ট হতে পারে, তবে আপনি কেন পারবেন না? ফার্স্ট হওয়াটা ভাগ্যে জুটুক আর না-ই বা জুটুক, মনপ্রাণ বাজি রেখে চেষ্টা করলে অন্তত চাকরিটা তো জুটবেই। ভাবছেন, খুব হেসেখেলে ফার্স্ট হয়ে গেছি? কিছুতেই না! এর জন্য অনেকরাত না ঘুমিয়ে কাটাতে হয়েছে। অনেক ছোট ছোট সুখকে গুডবাই বলে দিতে হয়েছে। মুখ বন্ধ রেখে মানুষের বড় বড় কথা হজম করে পড়াশোনা করতে হয়েছে।

আমি বিশ্বাস করি, আপনারাও পারবেন। যারা চাকরি পায়, ওরা আপনাদের চাইতে কোনোভাবেই বেশি যোগ্যতাসম্পন্ন নয়। নিজের উপর আস্থা রাখুন, নিজেকে সম্মান করুন, আপনার স্বপ্ন পূরণ করার জন্য দিনরাত পরিশ্রম করুন। বাকিটা সৃষ্টিকর্তার হাতে!

শুভকামনায়

সুশান্ত পাল

আপনাদের সিনিয়র সহকর্মী

The boy who has never heard the name of the BCS, if the boy who did not test any job in his life, then that boy may be in the BCS exam for the first time, but why can not you? First of all, if you try to put a joke in front of yourself and do not get involved, then try to do the least work. Thinking, I got very quick before? Nothing! There is a lot of time to sleep in it.

Facebook  | YouTube

স্বপ্ন যখন বিসিএস | BCS Preparation Program

Tuesday, August 25, 2020

বাংলা ভাষা ও সাহিত্য নিয়ে ২৫ পরামর্শ

১) ব্যাকরণ অংশে ১৫টি প্রশ্ন এবং সাহিত্য অংশে ২০টি প্রশ্নসহ মোট ৩৫ নম্বর বাংলার জন্য বরাদ্দ। এখানে একটা কথা বলা জরুরি, ১৫-এর জায়গায় ১৬ এবং ২০-এর জায়গায় ১৯ও হতে পারে। তবে ৩৫ ঠিকই থাকবে। আর একটা কথা মনে রাখবেন, পিএসসি প্রদত্ত সিলেবাস অনুযায়ী অনেক সময় সব প্রশ্ন না-ও হতে পারে। যেমন কারক সিলেবাসে নেই, কিন্তু প্রশ্ন আসতে পারে। এলে তো আর বলতে পারবেন না, এর উত্তর দেব কেন? পারব না। সুতরাং প্রস্তুতি যেহেতু নেবেন, ভালো করেই নেবেন।

২) বাংলা ব্যাকরণ কিছুটা কঠিন ধাঁচের। সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুসরণে রচিত। এর মধ্যে আপনি কিছু নিয়ম বুঝবেন, সহজে মনেও রাখতে পারবেন। আবার কিছু নিয়ম আপনি বুঝবেন না। যা বুঝবেন না, যে পর্যন্ত পারেন মুখস্থ করে ফেলবেন। সব সময় বোঝা যাবে না এটাই স্বাভাবিক। মুখস্থ বিদ্যাও একটা বিরাট সম্পদ।

৩) ব্যাকরণের জন্য আপনি যে বইটা খুব ভালো করে পড়বেন, তা হলো নবম-দশম শ্রেণির ব্যাকরণ বইটা। বিশেষ করে নানা নিয়মের উদাহরণগুলো ভালো করে দেখবেন! সঙ্গে একটা এমসিকিউ বাংলা গাইডও রাখতে পারেন। বিগত বছরে আসা প্রশ্ন দেখতে সাহায্য করবে এটি!

৪) কয়েকটা বিষয় খুব ভালো করে পড়বেন। যথা সন্ধি, উপসর্গ, সমাস, নত্ব-বিধান ও ষত্ব- বিধান, সমার্থক ও বিপরীত শব্দ, প্রত্যয়, ধ্বনি পরিবর্তন ইত্যাদি।

৫) ব্যাকরণ নিয়ে বিখ্যাত যেসব গ্রন্থ রচিত হয়েছে, তা অবশ্যই পড়ে যাবেন!

৬) শুদ্ধীকরণ অংশে শব্দের বিশেষ অর্থে প্রয়োগ, বানান ও বাক্য শুদ্ধি, লিঙ্গের অপপ্রয়োগ, সন্ধি ও সমাসের অপপ্রয়োগ খুব ভালো করে পড়বেন! কঠিন বানানসমূহ বারবার লিখবেন। এতে সহজে মনে থাকবে!

৭) পরিভাষা থেকে প্রতিবছর প্রশ্ন আসে। তাই এতে জোর দিতে হবে! যেগুলো একটু বিদঘুটে তা ভালো করে পড়ুন!

৮) নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধি, নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধি, বিশেষ নিয়মে সাধিত ব্যঞ্জনসন্ধি, নিপাতনে সিদ্ধ বিসর্গ সন্ধি একটু দেখে যাবেন! মোটকথা, যত বিশেষ নিয়ম আছে সবই গুরুত্বপূর্ণ!

৯) ব্যাকরণের কোনো অধ্যায় যদি কারও খুব বেশি কঠিন লাগে, তবে এড়িয়ে যান!

১০) যুক্তবর্ণ যেগুলো একটু প্যাঁচানো তা পড়বেন। এ রকম ২০টির মতো আছে!

১১) বিদেশি শব্দের মধ্যে আরবি, ফারসি, পর্তুগিজ, তুর্কি, ফরাসি ও মিশ্র শব্দসমূহ মনোযোগ দিয়ে পড়বেন! আশা করি কমন পেয়ে যাবেন।

১২) বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস ও বিবর্তন এবং এর যুগ বিভাগ খুবই গুরুত্বপূর্ণ!

১৩) প্রাচীন যুগে চর্যাপদ বৃত্তান্ত, হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌ ও সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের অবদানগুলো পড়তে হবে!

১৪) মধ্যযুগে মঙ্গলকাব্য, মুসলিম সাহিত্য ও অনুবাদ সাহিত্য জোর দিয়ে পড়তে হবে! এর সঙ্গে যুগসন্ধিক্ষণ ও ঈশ্বর চন্দ্র গুপ্ত সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে!

১৫) আধুনিক যুগের জন্য ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ, উইলিয়াম কেরিসহ অন্যদের কমপক্ষে গ্রন্থগুলোর নাম জানতে হবে!

১৬) আধুনিক যুগে সাহিত্যিকদের পর্যায় বা ক্রম অনুযায়ী পড়ার দরকার নেই। গুরুত্ব অনুযায়ী পড়বেন। কিছু গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যিক হলেন ঈশ্বরচন্দ্র, রাজা রামমোহন, বঙ্কিমচন্দ্র, মাইকেল মধুসূদন, মীর মশাররফ, রবিঠাকুর, কাজী নজরুল, জসীমউদ্‌দীন, রোকেয়া, ফর্‌রুখ আহমদ, কায়কোবাদ, শরৎচন্দ্র, আখতারুজ্জামান ইলিয়াস, আহসান হাবীব, জীবনানন্দ দাশ, জহির রায়হান, তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়, বিহারীলাল চক্রবর্তী, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়, মুনীর চৌধুরী, শওকত ওসমান, শামসুর রাহমান, সুফিয়া কামাল, সমর সেন, সৈয়দ শামসুল হক! এই ২৫ জনকে আগে ভালো করে জানুন!

১৭) ড. সৌমিত্র শেখরের বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা বইটি পড়তে পারেন। বিগত প্রশ্নের আলোকে কিছু সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ প্রশ্নও পড়বেন।

১৮) প্রগতিশীল লেখকেরা একটু বেশি গুরুত্বপূর্ণ। যেমন আহমদ ছফা, হুমায়ুন আজাদ, আহমদ শরীফ, বদরুদ্দিন ওমর, আবদুল্লাহ আল মামুন, জাহানারা ইমাম, শাহরিয়ার কবির, আরজ আলী মাতুব্বর, নির্মলেন্দু গুণ, মহাদেব সাহা ইত্যাদি।

১৯) যেসব গল্প, কবিতা, প্রবন্ধ ও উপন্যাস কখনো পাঠ্যবইয়ে ছিল বা আছে তা ভালো করে দেখবেন! এর চরিত্র, কাহিনি ও কঠিন শব্দের অর্থগুলো আয়ত্ব করে নেবেন!

২০) সাহিত্যবিষয়ক সংগঠন যেমন বাংলা একাডেমি, বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি, মুসলিম সাহিত্য সমাজ, হিন্দু কলেজ ও ইয়ংবেঙ্গল, বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য সমিতি, সাহিত্যিকদের ছদ্মনাম, উপাধি, বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনি পড়বেন!

২১) সাহিত্য অঙ্গনে কিছু উক্তি আছে, যা বেশ নাম করেছে। এসব কোনটা কার একটু আয়ত্ত করে নেবেন!

২২) কিছু পত্র-পত্রিকা সম্পর্কেও জানতে হবে! গুরুত্বপূর্ণ কিছু পত্রিকা হলো বেঙ্গল গেজেট, দিকদর্শন, সমাচার দর্পণ, সমাচার সভারাজেন্দ্র, সবুজপত্র, মোসলেম ভারত, কল্লোল, সমকাল,  বেগম, নবযুগ, হিতকরী, সওগাত ইত্যাদি! সম্পাদক, প্রকাশক ও প্রকাশকাল জেনে নেবেন!

২৩) মুক্তিযুদ্ধ ও ভাষা আন্দোলনভিত্তিক গল্প, কবিতা, গান, প্রবন্ধ, উপন্যাস ও নাটক পড়তে হবে কিছু। এর চরিত্রগুলোও গুরুত্বপূর্ণ।

২৪) বাংলা সাহিত্যে যা কিছু প্রথম, তার তালিকাটা মনে রাখতে হবে। যেমন প্রথম উপন্যাস কোনটি?

২৫) সাম্প্রতিক কালে যদি কোনো গুরুত্বপূর্ণ লেখকের লেখা প্রকাশিত হয়, তার নাম জানার চেষ্টা করবেন। আধুনিক যুগ বলতে আজকের দিন পর্যন্ত সময়কে বোঝায়। তাই চোখ-কান খোলা রাখতে হবে। খ্যাতিমান রাজনৈতিক ব্যক্তিদের লেখাও জেনে যাবেন। যে গ্রন্থগুলো সম্প্রতি কোনো পুরস্কার পেল বা পাবে তা গুরুত্বপূর্ণ। পারলে ওই লেখক সম্পর্কেও জানবেন। আর তাতেই আসবে সফলতা!

© লেখক: শাহ মো. সজীব, প্রশাসন ক্যাডার (দ্বিতীয় স্থান), ৩৪তম বিসিএস।

Facebook  | YouTube

স্বপ্ন যখন বিসিএস | BCS Preparation Program

Monday, August 24, 2020

কিভাবে শূন্য থেকে শুরু করবেন বিসিএস প্রস্তুতি


যারা অনার্স প্রথম বর্ষে পড়েন কিংবা দ্বিতীয় বর্ষে অথবা তৃতীয়, চতুর্থ বর্ষে পড়েন কিন্তু জানেন না কীভাবে বিসিএস প্রিপারেশন শুরু করবেন। অথবা অনেকই এমন আছেন যে, অনার্স মাস্টার্স শেষ, বিসিএস ক্যাডার হওয়া স্বপ্ন; কিন্তু কীভাবে বিসিএস প্রস্তুতি শুরু করবেন তা বুঝতে পারছেন না। আজ আমি চেষ্টা করবো সেই প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজে পেতে সাহায্য করতে। প্রথমে আপনি নিজেই নিজেকে জিজ্ঞেস করুন আপনি কোন বিষয়ে দুর্বল। আপনার কাছে সবচেয়ে কঠিন যে বিষয়টা/বিষয়গুলো মনে হয় সেই বিষয় দিয়ে শুরু করুন।

আমি দেখেছি বাংলাদেশের অধিকাংশ চাকরি প্রত্যাশী English এবং Math এ দুর্বল । আবার এর পরের স্থানে আছে বাংলা কিংবা বিজ্ঞানের মতো বিষয়গুলো।

আপনি যদি গণিতে দুর্বল হন আগে গণিতের একটা চার্ট কিনে বেসিক সূত্রগুলো মুখস্থ করে ফেলুন প্রতিদিন ২/৩ টা করে। দৈনিক ২-৩ টার বেশি সূত্র পড়বেন না। কারণ একসাথে বেশি সূত্র পড়লে মনে থাকবে না ভালোমতো। যদি এইভাবে পড়েন নিয়মিত, দেখবেন আপনার সব সূত্র মুখস্থ হয়ে গেছে ১-২ মাসের মধ্যে। এর পাশাপাশি দৈনিক রুটিনে ক্লাস ফাইভ থেকে টেন পর্যন্ত টেক্সবুকের অংকগুলো করে ফেলুন। গণিতে ভালো করার জন্য প্র্যাক্টিসের কোনো বিকল্প নেই। তারপর বিসিএস প্রিলিতে আসা বিগত সালের গণিতে প্রশ্নগুলো সমাধান করে ফেলুন (প্রয়োজনে অভিজ্ঞদের সাহায্য নিন কিংবা গ্রুপ স্টাডি করুন)।

এবার স্টুডেন্টদের জাতীয় সমস্যা ইংলিশের বিষয়ে আলোকপাত করা যাক। ইংলিশের জন্য আমি আগে বলবো আপনি একটা বেসিক ইংলিশ বই শেষ করুন (যেমন Advance Learners’ Functional English by Chowdhur & Hossain , Applied English Grammar and Composition – by P C Das বইগুলো শেষ করুন বিসিএস প্রিলি সিলেবাস অনুযায়ী। তবে প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে ওঠে ২টি গণিত সূত্র মুখস্থ করার সাথে সাথে Saifur’s Vocabulary থেকে ৫-৬ টি শব্দ মুখস্থ করুন। Vocabulary পড়ার সময় একটু শব্দ করে পড়বেন এবং খাতায় বার বার লিখবেন তাহলে মনে থাকবে বেশিদিন। অনেকে আবার বলতে পারেন Vocabulary পড়ি কিন্তু মনে থাকে না, কি করব?

তাদের বলবো, আপনি যখন প্রথমবার Word Meaning পড়েন তখন মনে করবেন প্রথম কিছু মনে থাকবে না, তারপর পড়ুন কিছু মনে থাকবে, আবার পড়ুন ক্রমান্বয়ে মনে থাকার পরিমাণ বাড়বে। Vocabulary বইয়ের মধ্যকার শুধু বড় বড় শব্দগুলো পড়বেন বাংলা অর্থসহ, তারপর সাথে Synonym পড়বেন, তৃতীয়বার মূল শব্দের সাথে Antonym পড়বেন। চতুর্থবার মুল শব্দের সাথে Synonym এবং Antonym মিলেয়ে পড়বেন। এইভাবে পড়লে Effective হবে। তাছাড়া, আপনার হাতে যদি সময় থাকে দৈনিক Daily Star পেপারটি পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

Note: আপনি যেসব বিষয়ে দুর্বল তা দিয়ে শুরু করার পর আপনি যখন দেখবেন যে- আপনি আর কোনো বিষয়ে দুর্বল নয়, তখন আপনার মনোবল ও আত্মবিশ্বাস অনেক গুণ বেড়ে যাবে। আর মনে রাখবেন বিসিএস হলো মনোবল ও আত্মবিশ্বাসের পরীক্ষা, যার মনোবল ও আত্মবিশ্বাস যত বেশি সে তত দ্রুতই সফল হবে ইনশাআল্লাহ!

© গাজী মিজানুর রহমান

৩৫ তম বিসিএস ক্যাডার ও সাবেক সিনিয়র অফিসার, পূবালী ব্যাংক লিমিটেড।

লেখক: BCS Preliminary Analysis (বিসিএস প্রিলির ধারণা সম্পূর্ণ বদলে দিতে বাজারে এসেছে বাংলাদেশের প্রথম বিসিএস প্রিলির সাজেশনভিত্তিক বই- BCS Preliminary Analysis)

স্বপ্ন যখন বিসিএস | BCS Preparation Program

Friday, August 23, 2019

অল্প সময়ে বড় সিলেবাস শেষ করার উপায়!


এই আর্টিকেলটি তাদের জন্য, যারা সারাবছর পড়ার বইগুলোকে দূরে সরিয়ে রেখে বিপুল পড়ার স্তুপ করেছো এবং যেইনা পরীক্ষা ঘনিয়ে এসেছে মহাভারত (বিশাল সিলেবাস) মুখস্থ করে শেষ করার জন্য উঠে-পড়ে লেগেছো। পড়া সব বাকি রয়ে গেছে, এদিকে পরীক্ষা নাকের গোড়ায়; যে করেই হোক প্রস্তুতি নেয়া চাই। কিন্তু প্রস্তুতি নিতে গিয়ে দেখলে, পরীক্ষার আগে আগে এই ‘মহাভারত উদ্ধার’ বিষয়টা মোটেই সহজ নয়। ১২-১৪ ঘণ্টা পরিশ্রম করেও পুরোনো অনেক কিছুর সঙ্গে নতুন অনেক কিছু গুলিয়ে-টুলিয়ে একেবারে হালুয়া হয়ে যাচ্ছে। এই যখন ব্যাপার, তাহলে এই কার্যক্রম শুরু করার আগে কিছু বিষয় মাথায় রেখেই কর।

১। বড় অধ্যায় ছোট ছোট অংশে ভাগ করে পড়ো “খাব যখন, একসঙ্গে পেট পুরে খাবো”—এমন নীতিতে চললে পেট মোটা হয়ে যাবে, কিন্তু শরীরে শক্তি থাকবে না মোটেই। তাই অল্প অল্প করে বার বার খাও। এটা স্বাস্থ্য-কথা। ডাক্তাররা বলে থাকেন। বিস্ময়করভাবে লেখাপড়ার ক্ষেত্রেও ব্যাপারটা আসলে তাই। একসাথে একটা বিশাল অধ্যায় নিয়ে বসলে ঝামেলায় পড়তে হবে। তারচে’ ভালো, অধ্যায়টা ছোট ছোট অংশে ভাগ করে নিয়ে পড়ো। প্রতিটা ভাগের আবার কি-ওয়ার্ড ঠিক করে নাও। অর্থাৎ, ঐ অনুচ্ছেদটুকুতে কোন বিষয়টুকু আলোচিত হয়েছে সেটা মাথায় রাখো, বা কলম দিয়ে লিখে রাখো।

২। একসঙ্গে ২ ঘণ্টার বেশি পড়া নয়। একটানা পড়ার অনুকূল সময়টুকু হল ২ ঘণ্টা। তাই ২ ঘণ্টার বেশি একটানা পড়া ঠিক নয়। অতি মনোযোগে মনোযোগ ব্যাহত হওয়ার মতো ব্যাপার ঘটে এতে। ভালো হয়, যদি এই দুই ঘণ্টা সময়কেও ৫ মিনিটের বিরতিতে ভাগ করে নিতে পারো। ২৫ মিনিট পড়ে ৫ মিনিটের বিরতি নাও। তাহলে দেখবে, পুরো ১২-১৪ ঘণ্টা পড়েও পড়ার ক্লান্তি অতটা অনুভূত হচ্ছে না।

৩। মাথাকে প্রকৃত বিরতি দাও ২ ঘণ্টা পড়ার পর এক ঘণ্টা বিরতি নিলে ঠিকই, কিন্তু এই সময়েও তুমি বন্ধুর সঙ্গে বা পরিবারের অন্য কারো সঙ্গে পড়াশোনা বা পরীক্ষা নিয়েই আলোচনা করলে, তাহলে কিন্তু প্রকৃত বিরতি নেয়া হল না। মস্তিষ্ক ঠিক একই কাজেই নিয়োজিত রইল। বিরতির সময়টুকু পড়ার বাইরে থাকো। মাথাকে চাপমুক্ত রাখো। যদি বিরতির সময়টুকু চাপমুক্ত থাকতে না পারো, তাহলে বিরতির পরের পড়ার সময়টা কার্যকর হবে না খুব একটা।

৪। পড়ার মূল বিষয়গুলিতে বেশি বেশি দৃষ্টি নিবন্ধ করো পুরো পড়াকে দুই ভাগে ভাগ করে ফেল- core material (মূল উপাদান) এবং elaborative material (বিস্তৃত উপাদান)। মূল উপাদানের মধ্যে থাকবে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র, তত্ত্ব, ডায়াগ্রাম এবং গ্রাফ। আর বিস্তৃত উপাদানের মধ্যে থাকবে উদ্ধৃতি, উদাহরণ, ইলাস্ট্রেশন প্রভৃতি। মূল উপাদানকে অধিক গুরুত্ব দিয়ে পড়ো।

৫। বিষয়-বৈচিত্র্য মাথায় রেখে প্রতিদিনের পড়ার রুটিন করো আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনার মধ্যে মোটামুটি তিন ধরণের বিষয় রয়েছে- স্মৃতিশক্তি নির্ভর বিষয়, সমস্যা সমাধানমূলক বিষয় এবং ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণমূলক বিষয়। জীববিজ্ঞান, ইতিহাস, ভূগোল... এই ধরণের বিষয়গুলোকে মোটামুটিভাবে প্রথম ভাগে রাখা যায়, যেগুলোতে মুখস্থ করার মতো প্রচুর কনটেন্ট আছে। আবার, পদার্থবিজ্ঞান, গণিত, হিসাববিজ্ঞান…এই ধরণের বিষয়গুলোকে দ্বিতীয় ভাগে রাখা যায়। একই রকমভাবে, বাংলা বা ইংরেজি সাহিত্য… এগুলোকে রাখা যায় তৃতীয় ভাগে। সারাদিনের পড়ার রুটিন করার সময় একই রকম বিষয়গুলোকে একই সাথে না সাজিয়ে বৈচিত্র্য বজায় রাখার জন্য অন্যান্য ধরণের বিষয়গুলোকে পর পর সাজানো উচিত। এতে পড়ায় ক্লান্তি আসার সম্ভাবনা কমে যায়।

৬। শেখা জিনিস নোট করো দেখেই চোখ কপালে তুলে ফেলেছ? পরীক্ষার সময় নোট করব—এ আবার কোন পাগলামী! ছোট বেলায় আমাদের মা-বাবা, চাচা-জ্যাঠারা একটা কথা বলতেন- “একবার লেখো, দশবার পড়ার সমান হবে।” কথাটা ভুল কিছু নয়। শেখা জিনিস লেখার ফলে অনেক বেশি মনে থাকে। আবার, পড়ার সময় কম বুঝেছি, এমন অনেক কিছু হঠাৎ পরিষ্কার হয়ে যায়। কিন্তু পরীক্ষার সময় এতো পড়ার সময় কি আসলেই আছে? না, নেই। তা সত্ত্বেও গুরুত্বপূর্ণ সূত্র, পয়েন্ট, চিত্র ইত্যাদি পড়ার পর নোট করে ফেলো। এগুলো পরীক্ষার আগের রাতে চোখ বুলানোর জন্য দারুণ কাজে দেবে।

৭। বুঝে বুঝে পড় এবং SQ5R নীতি ঠিক রাখো যে কোন পড়াই ভালোভাবে আত্মস্থ করার পূর্বশর্ত হল ভালো করে বুঝে পড়া এবং সঠিক উপায়ে নোট নেয়া। এই ক্ষেত্রে SQ5R নীতি বেশ ফলদায়ক। SQ5R—মানে, Survey, Questions, Read, Record, Recite, Review and Reflect যে কোন পড়া Survey কর। অনুচ্ছেদগুলোর ওপর চোখ বুলাও, এবং গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলগুলো মার্ক কর। ৭-১০ মিনিট ব্যয় কর। বইয়ে যেসব হেডিং বা সাব-হেডিং থাকে, পড়ার সময়ই ঠিক করে ফেলো, এগুলোর কোনটা থেকে Question হতে পারে। দাগ দাও। প্রয়োজনে গুরুত্বপূর্ণ অংশের পাশে সেই সংশ্লিষ্ট প্রশ্ন লিখে রাখো। Read, Record এবং Recite-এর দিকে মনোযোগী থাকো। অনুচ্ছেদগুলো আবার পড় এবং গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলো নিজের কণ্ঠস্বরে রেকর্ড করে রাখো। visual representation-এর জন্য সেগুলোকে বুলেট বা বক্স করে রাখো টেক্সটের পাশে। কাজ শেষে নিজের করা নোটগুলো স্পষ্ট করে জোরে জোরে উচ্চারণ কর। যে নোটগুলো নিয়েছ বা প্রশ্নগুলো লিখেছ, সেগুলোর Review কর। নিজেকে প্রশ্নগুলো জিজ্ঞেস কর, এবং উত্তর দিতে পার কিনা দেখ। উপরের স্টেপগুলো repeat করতে থাকো, পুরো বিষয়টা কব্জায় আসা পর্যন্ত।

৮। পড়া বেশি বেশি চোখে পড়ার ব্যবস্থা কর গুরুত্বপূর্ণ সাল, তারিখ, ভোকাব্যুলারি, সূত্র– যেগুলো মনে রাখতে কষ্ট হয়, স্টিকি নোট করে রাখো কিচেনে, বাথরুমে কিংবা ঘরের এমন সব জায়গায়, যেগুলোতে তোমার বেশি যাতায়াত ঘটে। আসা-যাওয়ার পথে চোখ পড়তে পড়তে সেগুলো একসময় আত্মস্থ হয়ে যাবে। ফ্ল্যাশকার্ডও তৈরি করে রাখতে পারো।

৯। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রিভিশন দাও যদি এমন হয় যে পরীক্ষার ঠিক আগে আগে তুমি সম্পূর্ণ নতুন একটা চ্যাপ্টার পড়ছ, তাহলে Recapped, Reviewed and Reinforced- এই 3R-এর ওপর গুরুত্ব দাও। যে কোন নতুন তথ্য শিখে সেটা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রিভিশন না দিলে ৮০% সম্ভাবনা আছে ভুলে যাবার। তাই, শেখা জিনিস ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই রিভিশন দিয়ে ফেলো।

১০। পর্যাপ্ত ঘুমাও পর্যাপ্ত এবং ভালো ঘুমই শর্ট টার্ম মেমোরিকে লং টার্ম মেমোরিতে পরিণত করতে সাহায্য করে সবচে’ বেশি। লং টার্ম মেমোরিতে পরিণত না হলে পরীক্ষার হলে বসে পড়া মনে করবে কী করে? তাই, অধিক পড়তে গিয়ে ঘুম নষ্ট করা মোটেই ঠিক হবে না। অন্তত ৬-৭ ঘণ্টা ভালো ঘুমের প্রয়োজন আছে। একটা কথা বলে রাখি, অল্প সময়ে পরীক্ষার প্রস্তুতির বিষয়-আশয় লিখলাম বলে এটা মনে করার কোন কারণ নেই, আমরা অল্প অল্প করে পড়ে সারা বছর ধরে প্রস্তুতি নেয়ার বিষয়টাকে জোর দিচ্ছি না। সেটাই আসল প্রস্তুতি। অল্প সময়ে মহাভারত মুখস্থ করতে গিয়ে যদি ‘অশ্বত্থামা হতঃ ইতি’ হয়ে যান, তাহলে কি আর উদ্দেশ্য সফল হবে?
© বিভিন্নভাবে সংগ্রহ।
খায়রুল হাসান শিবলু 
৩৮ তম বিসিএস ভাইভা পরীক্ষার্থী।

বিসিএস এর আপডেট তথ্য, পরামর্শ ও পাঠ্যসেবা পেতে লাইক দিন BCS Preparation Program এর ফেসবুক পেজে→
http://facebook.com/bcspreparationprogram

স্বপ্ন যখন বিসিএস | BCS Preparation Program

বিসিএস প্রিলি: সবচেয়ে কঠিন ধাপ পেরোতে যা করবেন!


এ বছরের শেষদিকে সেপ্টেম্বর কিংবা অক্টোবরে হতে পারে ৪১তম বিসিএস’র প্রিলিমিনারির বিজ্ঞপ্তি। বিসিএস’র সবচেয়ে কঠিনতম ধাপ হলো প্রিলিমিনারি পরীক্ষা যেখানে আবেদনকারী পরীক্ষার্থীর প্রায় ৯৫-৯৬ শতাংশ পরীক্ষার্থীই বাদ পড়ে যায়।

তাই প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে শুধু দরজা-জানালা বন্ধ করে পড়াশোনা করলেই হবেনা, হতে হবে কৌশলী ও পরিশ্রমী। এতো এতো পরীক্ষার্থীদের মধ্যে প্রিলি পরীক্ষায় টিকতে হলে থাকতে হবে কনফিডেন্স, পেতে হবে কাঙ্ক্ষিত কাট মার্কস। ৪১তম বিসিএস প্রিলি পরিক্ষার জন্য যা যা গুরুত্বপূর্ণ–

[] বাংলা: ব্যাকরণ অংশে ধ্বনি ও বর্ণ, প্রকৃতি ও প্রত্যয়, বানান প্রভৃতি অধ্যায় থেকে প্রতি বিসিএস’র প্রশ্ন পাওয়া যায়ই; সাহিত্য অংশে বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের সাহিত্যসমূহ এবং বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের জন্য পিএসসি’র পুরাতন লিখিত সিলেবাসে বর্ণিত ১১ জন সাহিত্যিকে বেশি বেশি জোর দিন।

[] ইংরেজি: English Grammar এ Parts of Speech, Clause, Synonym, Spelling অধ্যায়সমূহে জোর দিন। ইংরেজী সাহিত্য নিয়ে বেশি দুশ্চিন্তা করবেন না। সাহিত্য অংশে মোটামুটি পড়লেই ৮/১০ পাবেন, আর সামনের সব দিন টানা শুধু এই ইংরেজি সাহিত্য পড়লেও এই পার্টে ১৫ তে ১৫ পাবেন না। তাই কৌশলী হোন, কিছু নাম্বার ছেড়ে দেয়ার মানসিকতা রাখুন।

[] গণিতিক যুক্তি ও মানসিক দক্ষতা: গাণিতিক যুক্তি পার্টে ১০০ ভাগ মার্কস তোলার চেষ্টা করুন, এই পার্ট আপনাকে অনেক এগিয়ে নিয়ে যাবে। এই পার্টের জন্য লগারিদম, বিন্যাস-সমাবেশ, বীজগাণিতিক সূত্রাবলি ভাল করে দেখুন। মানসিক দক্ষতার জন্য ইংরেজি সাহিত্যের মতো থিওরি অনুসরণ করুন। মোটামুটি পড়লেই ১০-১২ পাবেন, সারাদিন পড়লেও ১৫ পাবেন না।

[] সাধারণ বিজ্ঞান এবং কম্পিউটার ও তথ্য-প্রযুক্তি: প্রশ্নের এই পার্টে বিগত বছরের প্রশ্ন থেকে প্রচুর কমন পাবেন। সো এই সাবজেক্ট দুটোতেই প্রিভিয়াস প্রশ্ন কয়েকবার করে পড়ুন। সাধারণ বিজ্ঞান থেকে ধাতব ও অধাতব পদার্থ, ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস, বায়ুমন্ডল টপিকগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কম্পিউটার ও তথ্য-প্রযুক্তি’র জন্য কম্পিউটারের অঙ্গসংগঠন, ই-কমার্স, বুলিয়ান এলজ্যাবরা, লজিক গেইট প্রভৃতি বার বার চোখ বুলিয়ে নিন।

[] বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক: ৩৪তম বিসিএস পর্যন্ত এই দুই সাবজেক্টে বিগত বছর থেকে প্রচুর রিপিট আসলেও ৩৫ বিসিএস’র পর থেকে এই দুই সাবজেক্ট এ কারেন্ট ঘটনা এবং আনকমন প্রশ্ন বেশি আসে। তবুও বই থেকে ভালই কমন পাবেন। যে কোন প্রকাশনীর বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বই থেকে পড়ুন, যা কমন পাবেন, তাতেই সন্তুষ্ট থাকুন, বাকিটা স্কিপ করুন। ভয় নেই, অন্যকেউও সেগুলো পারবে না, অনুমানে দিয়ে নিগেটিভ মার্কিংয়ে পড়বে অনেকেই।
তবে বাংলাদেশ পার্টের জন্য বাংলাদেশের অভ্যুদয়, বাংলাদেশের অর্থনীতি, সংবিধান, জনসংখ্যা ও জনগোষ্ঠী অধিকতর গুরুত্বপূর্ণ। আর আন্তর্জাতিক এর জন্য জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সংস্থা, আন্তর্জাতিক সম্মেলন, পরিবেশগত ইস্যু থেকে সর্বাধিক প্রশ্ন কমন পাওয়া যায়।

[] ভূগোল ও নৈতিকতা: ভূগোল পার্টে যা আসে, বাংলাদেশ-আন্তর্জাতিক থেকেই কমন পাবেন ইনশাআল্লাহ্‌। আর নৈতিকতা পার্টটা দেয়াই হয়েছে আপনাকে কনফিউজড করার জন্য। কোনটা যে সঠিক উত্তর হবে একমাত্র সৃষ্টিকর্তা আর পিএসসিই জানে। তাই এই পার্টটা সাবধানে হ্যান্ডেল করতে হবে।

প্রিলি প্রস্তুতির জন্য যে সিরিজের বইগুলো পড়ছেন, সেগুলোই পড়তে থাকুন। তবে পরীক্ষার আগের সাতদিনের জন্য ডাইজেস্ট এবং কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স বিশেষ সংখ্যা বেশি বেশি পড়ুন, অনেক উপকার পাওয়া যাবে। আগামী দিনগুলোতে পড়বেন যতটুকু, পরীক্ষা দিবেন তার চেয়েও বেশি।

প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় অর্ধেক প্রশ্ন কমন পাবেন, বাকি অর্ধেক প্রশ্ন আপনাকে উত্তর করতে হবে সিক্স সেন্স এপ্লাই করে। তাই যত বেশি মডেল টেস্ট দিবেন, ততো বেশি আপনার সিক্স সেন্স এর ডেভেলপমেন্ট হবে।

শেষকথা হলো, বিসিএস ক্যাডার হতে হলে অলরাউন্ডার হতে হয় সত্য, কিন্তু প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় টিকতে হলে, অলরাউন্ডার না হলেও চলে, কেউ যদি ইংরেজী আর গণিতে (৩৫+৩০=৬৫) জিরোও পায়, তবুও ২০০-৬৫=১৩৫ পেয়ে যে প্রিলি টিকতে পারবে। সো, আপনার উইকনেস কে ভয় না পেয়ে, স্ট্রেংথকে কাজে লাগান, সফল হোন। সবার জন্য শুভ কামনা।

লেখক: রবিউল আলম লুইপা
৩৫তম বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা)।

বিসিএস এর আপডেট তথ্য, পরামর্শ ও পাঠ্যসেবা পেতে লাইক দিন BCS Preparation Program এর ফেসবুক পেজে→
http://facebook.com/bcspreparationprogram

স্বপ্ন যখন বিসিএস | BCS Preparation Program

বিসিএস প্রস্তুতির জন্য যেসব রেফারেন্স বই পড়বেন!


এই বইগুলো মূলত তারাই পড়বেন যারা অনার্স সেকেন্ড/ থার্ড ইয়ার কিংবা ফোর্থ ইয়ারে পড়েন এবং এক্সিলেন্ট প্রস্তুতি নিতে চান। কারণ এতে ব্যাপক সময় দিতে হবে। পড়াশুনা শেষ করার পরে এসে এসব বই পড়া শুরু না করাই ভালো; সেক্ষেত্রে এসব বইয়ের ডাইজেস্ট পড়ে নিন।
তাহলে আসুন দেখে নিই বিসিএস এর এক্সিলেন্ট প্রস্তুতি নিতে কী কী রেফারেন্স বই পড়তে হবে—

১. বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস – মাহবুবুল আলম।
2. A Passage to the English Language – S. M. Zakir Hossain.
৩. সংবিধান, সংবিধানিক আইন ও রাজনীতি – মোঃ আব্দুল হালিম।
৪. আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, সংগঠন ও পররাষ্ট্রনীতি – মোঃ আব্দুল হাই।
৫. বিশ্ব রাজনীতির ১০০ বছর – তারেক শামসুর রেহমান।
৬. নাগরিকদের জানা ভালো – মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান।
৭. অসমাপ্ত আত্নজীবনী – শেখ মুজিবুর রহমান।
৮. আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর – আবুল মনসুর আহমদ।
৯. আমি বিজয় দেখেছি – এম আর আখতার মুকুল।
১০. স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র – হাসান হাফিজুর রহমান।

এই বইগুলোর PDF কপি ডাউনলোড করতে এখানে–ক্লিক–করুন

Note: এসবের মধ্যে যেসব বইয়ের নাম আমি এর পূর্বের লেখায় উল্লেখ করেছি সেসব বই সবাই পড়বেন তথা উপরের ৫, ৬ এবং ৭ নম্বর বইগুলো।

Wednesday, August 7, 2019

বিসিএস এর জন্য যেসব বই পড়তে হবে—


বিসিএস এর জন্য কী কী বই পড়তে হবে এবং কীভাবে পড়তে হবে? সে বিষয়ে এখন কথা বলবো। মূলত যারা এখনও শুরুই করেন নি এবং শুরু থেকে শুরু করতে চান তাদের জন্য এই লেখা। আমাদেরকে বিসিএস এর জন্য সাধারণত তিন ধরণের বই পড়তে হবে— আমাদের স্কুল লাইফের কিছু পাঠ্যবই, কিছু রেফারেন্স বই এবং বিসিএস বিষয়ক বিভিন্ন প্রকাশনী হতে প্রকাশিত কিছু ডাইজেস্ট তথা রিভিউ বই। আর যেসব রেফারেন্স বই বিস্তৃত আকারের হওয়ার কারণে তা অধ্যয়ন করা আমাদের জন্য সম্ভব হবে না সেসব ক্ষেত্রে সেইসব বইয়ের ডাইজেস্ট পড়ে নিতে হবে; আর যেসব ক্ষেত্রে এসব বইয়ের ডাইজেস্ট বাজারে প্রিন্টকপি আকারে পাওয়া যাবে না অনলাইনে সেসব পাওয়ার লিংক এই পোস্টে সংযুক্ত করা হয়েছে। তাহলে আসুন এখন আমরা দেখে নিই আমাদেরকে কী কী বই পড়তে হবে।

[] বাংলা ভাষা ও সাহিত্য:
১. বাংলা সাহিত্য বইসমূহ (৬ষ্ঠ-১০ম শ্রেণী) (১৯৯৬ সালের সিলেবাস)।
২. বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (নবম-দশম শ্রেণী)।
৩. লাল নীল দীপাবলী -হুমায়ূন আজাদ।
৪. কতো নদী সরোবর -হুমায়ূন আজাদ।
৫. বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা -ড. সৌমিত্র শেখর।
৬. MP3 বাংলা।

[] English Language and Literature:
1. Applied English Grammar and Composition – P. C. Das.
2. English Grammar in Use – Raymond Murphy.
3. Common Mistakes in English – T. J. Fitikides.

4. FRIENDS' English Reading Skills (Only Pages 1-48).
5. An ABC of English Literature -Dr M Mofizar Rahman.
6. A Handbook on English Literature.
7. Professor's English for Competition Exams.

[] বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক:
১. বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় (নবম-দশম শ্রেণী)।
২. বিশ্ব রাজনীতির ১০০ বছর -তারেক শামসুর রেহমান।
৩. বাংলাদেশের সংবিধান।
৪. MP3 বাংলাদেশ।
৫. MP3 আন্তর্জাতিক।
৬. কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স সালতামামি (২০১৭, ২০১৮ এবং ২০১৯ সালের)।
৭. দৈনিক 'প্রথম আলো' অথবা, সাপ্তাহিক 'নিউজপেপার ডাইজেস্ট'।
৮. তথ্য— অর্থনৈতিক সমীক্ষা।

[] সাধারণ বিজ্ঞান:
১. সাধারণ বিজ্ঞান (৮ম শ্রেণী) (১৯৯৬ সালের সিলেবাস)।
২. সাধারণ বিজ্ঞান (৯ম-১০ম শ্রেণী) (১৯৯৬ সালের সিলেবাস)।
৩. MP3 দৈনন্দিন বিজ্ঞান।

[] কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি:
১. কম্পিউটার শিক্ষা (৯ম-১০ম শ্রেণী) (১৯৯৬ সালের সিলেবাস)।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (নবম-দশম শ্রেণী) (ডাইজেস্ট)।
৩. উচ্চ মাধ্যমিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি -প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান (ডাইজেস্ট)।
৪. MP3 কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি।

[] গাণিতিক যুক্তি:
১. নিম্ন মাধ্যমিক গণিত (৬ষ্ঠ শ্রেণী)।
২. নিম্ন মাধ্যমিক গণিত (৭ম শ্রেণী)।
৩. নিম্ন মাধ্যমিক গণিত (৮ম শ্রেণী)।
৪. মাধ্যমিক গণিত (৯ম-১০ম শ্রেণী) (১৯৯৬ সালের সিলেবাস)।
৫. উচ্চতর গণিত (সম্ভাবনা, সমাবেশ ও বিন্যাস— শুধু এই তিনটি অধ্যায়)।
৬. BCS Shortcut Math -মোহাম্মদ আরিফুর রহমান।
৭. MP3 Math Review.

[] মানসিক দক্ষতা:
১. Professor's মানসিক দক্ষতা।
২. MP3 মানসিক দক্ষতা।

[] ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা:
১. মাধ্যমিক ভূগোল (৯ম-১০ম শ্রেণী) (১৯৯৬ সালের সিলেবাস)।
২. ভূগোল ও পরিবেশ (৯ম-১০ম শ্রেণী)।
৩. টুলস— World MAP ও বাংলাদেশ ম্যাপ (জাহিদ সোহেল)।
৪. MP3 ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা।

[] নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসন:
১. পৌরনীতি ও সুশাসন (নবম-দশম শ্রেণী)।
২. উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি (২য় পত্র) (মোজাম্মেল হক) (PSC এর সিলেবাসের অন্তর্ভুক্ত অংশ)।
৩. নাগরিকদের জানা ভালো -মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান।
৪. MP3 নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসন।

[] এবং:
১. সামাজিক বিজ্ঞান (নবম-দশম শ্রেণী) (১৯৯৬ সালের সিলেবাস)।
২. মাধ্যমিক ইতিহাস (৯ম-১০ম শ্রেণী)।
৩. BCS প্রিলিমিনারি প্রশ্নব্যাংক।
৪. BCS প্রিলিমিনারি ডাইজেস্ট।
৫. কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স BCS বিশেষ সংখ্যা (English Literature অংশ খুব ভালো থাকে এবং কয়েকটি কমন পড়ে)।


♦ Note—
১. বাংলা সাহিত্য বইসমূহ (৬ষ্ঠ-১০ম শ্রেণী): লেখক পরিচিতি, শব্দার্থ ও টীকা এবং গুরুত্বপূর্ণ বানান।
২. লাল নীল দীপাবলী: পুরোটা পড়তে হবে। তবে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলো মাঝে মাঝে দেখার জন্য ডাইজেস্ট দেখতে হবে।
৩. কতো নদী সরোবর: পুরোটা পড়লে ভালো; তবে এর ডাইজেস্ট পড়লেও হবে।
৪. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (নবম-দশম শ্রেণী): ডাইজেস্ট পড়লেই হবে।
৫. উচ্চ মাধ্যমিক 'তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি' -প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান: ডাইজেস্ট পড়লেই হবে।
৬. বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় (নবম-দশম শ্রেণী): পুরোটা একবার পড়তে হবে।
৭. মাধ্যমিক ভূগোল (নবম-দশম শ্রেণী): ভালোভাবে পড়তে হবে। আর চর্চা করার জন্য ডাইজেস্ট দেখতে হবে।
এছাড়াও, বিভিন্ন বইয়ের ডাইজেস্ট পড়তে ভিজিট করুন→

আর, ১৯৯৬ সালের সিলেবাসের বইগুলো এখন দুর্লভ। তবে এসব আমাদের সংগ্রহে আছে। এসব বই এর PDF কপি পেতে হলে ইনবক্সে জানাতে হবে।

BCS Preparation Program | স্বপ্ন যখন বিসিএস।